Category Archives: হ্যাক

Online এ থাকা যে কারো PC কে Shutdown/Restart/Logoff করুন

আপনার প্রথমে Broadband High Speed Internet Connection থাকতে হবে। এবং আপনি যার PC কে Shutdown/Restart/Logoff করবেন তার IP Address আপনার জানা থাকতে হবে যেমন কোন না কোন বন্ধুর IP Address তো অবশ্যই জানেন অথবা

যে কারো IP Address বাহির করার জন্যে ” angry ip scanner 2.41″ software টি  Free Download করে নিতে পারেন।এবং আপনি এটাও বুঝতে পারবেন ,সেকি Online এ নাকি offline এ ??
এবারকাজেরকথায়আসি:
==========================================
১.প্রথমে———-আপনি—–run—–থেকে——-cmdযান।
২.লিখুন:———–shutdown-i
৩.তারপর:———-Enter(click/press)
৪.তারপর:একটা—-dialogueBox———আসবে(RSD)
৫.তারপর: what do you want these computer to do >>Shutdown/Restart/Logoff(যে কোন একটি choose করুন)
৬.তারপর: Option থেকে (যে কোন একটি choose করুন) যেটা দেয়া আছে সেটি——————default.
৭.তারপর: Add এ click. And একটা dialogue Box আসবে। সেখানে IP Address টা বসান যেটি দিয়ে আপনি তার PC কে Shutdown/Restart/Logoff যে কোন একটি করতে চান।
৮.সবার শেষে Comment করে ok/Enter দিন।
এখন cmd দেখুন: যদি Succeed হয় বুঝবেন তার PC আপনার দেয়া সময় অনুযায়ী Off হবে।আর তখন আপনি না চাইলে লিখুন: shutdown -a
•# আপনি নিজের PC Manually করে দেখতে পারেন।
@ check করুন cmd: shutdown -t
• এটা অনেকে জানেন। যারা জানেন না এটা তাদের জন্যে। আর কাজ ইনশাআল্লাহ হবে।প্রযোজ্য Broadband High Speed Internet Connection.

চলুন বের করে ফেলি, আপনার মোবাইল কে চুরি করেছে ………

মুলত মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে অথবা কারো অবস্থান জানার জন্য মোবাইল ফোন ট্রেস করা হয় ।
মোবাইল ফোন হারিয়া গেলে যেভাবে আপনি আপনার মোবাইল টিকে ট্রেস করতে পারবেন :
১ ► আপনার মোবাইলের IMEI নম্বার জানা থাকতে হবে, এর জন্য আগে থেকেই আপনার মোবাইল থেকে *#০৬# চাপুন ।
২ ►এবার আপনি ১৫ সংখার একটি নাম্বার দেখতে পাবন।এটাকে IMEI no বলা হয়।
IMEI no টি আপনি কোন জায়গায় লিখে রাখুন।
৩ ►যদি আপনার মোবাইল টি হারিয়ে যায় তাহলে আপনাকে সুধু এই অ্যাড্রেস এ একটা মেইল করতে হবে।
মেইল অ্যাড্রেস : cop@vsnl.net
৪ ►মেইল করার পরবর্তীতে GPRS এবং internet এর মাধ্যমে আপনার মোবাইলটি ট্রেস করা হবে ।
যে সব তথ্য সহ আপনি মেইল করবেনঃ
Your name:

Address:
Phone model:
Make:
Last used No.:
E-mail for communication:
Missed date:
IMEI No.:

৫ ►এছাড়া নেটে অনেক রকমের সাইট আছে যেখানে আপনি রেজিষ্ট্রেসন করলে তারা আপনার মোবাইল ট্রেস করে দেবে ।
এমন কিছু সাইটের ঠিকানা :
http://www.trackimei.com/
৬ ►আপনারা চাইলে পূর্ব থেকে আপনার মোবাইলে মোবাইল ট্রাকার ইনস্টল করতে পারেন।এতে আপনি নিজেই মোবাইল খুঁজে পেতে পারবেন।

হ্যাকিং এর কিছু ইতিহাস



১৯৬০ সালে এআইটি ল্যাবের কিছু ছাএ একটি প্রোগ্রামের কিছু শটকার্ট বের করেন তারপর থেকে তখন তাদের কে হ্যাকার বলা হত । এরপর ১৯৭০ সালে জন ড্রেপার টেলিফোন সিস্টেম হ্যাক করে বিনামূল্যে প্রচুর টেলিফোন করেন আর তখন থেকেই মুলত হ্যাকিং ব্যাপারটা জোরে শোরো শুরু হয় এই হ্যাকিংয়ের জন্য তাকে Captain Crunch নামে উপাধি দেয়া হয়েছিলো । Captain Crunch নামে খ্যাত জন ড্রেপার বেচারা হ্যাকিংয়ের দায়ে ওই বছরই গ্রেপ্তার হন ।
তবে হ্যাকিংয়ে উৎসাহ দেয়ার জন্য ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত Wargames মুভিটিকে অনেকেই দায়ী করেন । ১৯৮৩ সালে ৪১৪ নামে ছয়জন টিনএজ আমেরিকার বিভিন্ন প্রতিষ্টানের সিস্টেম অকেজো করে দেয় তবে তারা খুব তাড়াতাড়িই পুলিশের হাতে ধরা খান এবং wargames মুভিটি দেখে তার উৎসাহ পান বলে স্বীকার করেন ।
১৯৮৪ সালে প্রথমবারের মতো প্রকাশ হয় হ্যাকারদের ম্যাগাজিন ২৬০০।
১৯৮৬ সালে University of California এর অধিকাংশ হিসেবে ভুল আসার পর তদন্ত করে দেখা যায় এটা হ্যাকার দের কাজ পরবর্তীতে University of Californiaতে হ্যাকিং এর দায়ে ৫ জন জামার্নকে গ্রেপ্তার করা হয় ।
১৯৮৬ সালে আমেরিকায় হ্যাকিংয়ের বিরুদ্ধে আইন করা হয়। ১৯৮৭ সালে হার্বাট জিন নামের ১৭ বছর বয়সী হাইস্কুল ছাত্রকে ১৯৮৬ সালের হ্যাকিং আইনে গ্রেফতার করা হয় এটিঅ্যান্ডটি ল্যাবের তথ্য চুরির অভিযোগে।১৯৮৮ সালে Cornell University এর রবার্ট মরিস একটি ইন্টারনেট ওয়ার্ম এর সাহায্যে ৬০০০ নেটওয়ার্ককে থামিয়ে দেয় তবে তিনি খুব দ্রুত গ্রেপ্তার হন এবং তাকে ৩ বছরের জেল সাথে ১০০০০ ডলার জরিমানা করা হয় ।
১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলেস একটি রেডিও স্টেশন একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে যেখানে বলা হয় ১০২তম ফোনকারীকে তারা গাড়ি পুরস্কার দেবে। ফেভিন পলসেন রেডিও স্টেশনের টেলিফোন সিস্টেমে হ্যাক করে এমন ব্যবস্খা করেন যাতে তার ফোন ছাড়া অন্য কারো ফোন যেন রিসিভ না হয়। ফলাফল তিনি ঠিকই গাড়ি জিতে নেন। কিন্তু পরে গ্রেপ্তার হয়ে খাটতে হয় ৫১ মাসের জেল।
এছাড়া
Kevin Poulsen, Ronald Austin and Justin Peterson এই তিনজন মিলেও ফোন লাইন সিস্টেম হ্যাক করে ২০০০০ ডলার জিতে নেয় তবে বেচারারাও পরে ধরা খায়।
১৯৯৪ সালে Richard Pryce ১৬ বছর বয়সী , যাকে alias Datastream Cowboyনামে জানা হয় সে প্রায় ১০০ কম্পিউটারের সিকিউরিটি সিস্টেম ভেংগে ফেলে যার মধ্যে নাসা,কোরিয়ান পারমিণবিক সংস্হা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সংস্হার নেটওয়ার্ক ছিল।
এছাড়া হ্যাকিং জগতে অন্যতম বড় ব্যাংক ডাকাতি করেন রাশিয়ান গণিতবিদভাদিমির লেভিন। তিনি নিউইয়র্কের সিটি ব্যাংক থেকে কাস্টামারদের ১০ মিলিয়ন ডলার নিজের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি ইংল্যান্ডের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার হন এবং তিন বছর জেল খাটেন।সব টাকাই ফেরত পাওয়া যায় তবে ৪০ লাখ ডলার পাওয়া যায়নি।

পৃথিবীর সব বড় বড় হ্যাকার কারাঃ

ব্লাক হ্যাকারদের মাঝে কেভিন মিটনিককে বলা হয় হ্যাকারদের গুরু ।তার হ্যাকিং বিদ্যার জন্য তাকে গ্লেন কেজ উপাধি দেওয়া হয়।এই বিখ্যাত হ্যাকিং গুরুর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছিলো তা হল

• Los Angeles এর বাস সিস্টেম হ্যাকিং করে ফ্রী ভ্রমণ

• DEC সিস্টেম হ্যাকিং যার কারনে তাদের ১৬০০০০ ডলার ক্ষতি হয়েছিলো

• Motorola, NEC, Nokia, Sun Microsystems and Fujitsu Siemens সিস্টেম হ্যাকিং

• এফবিআই এর সিস্টেমে হ্যাকিং এর চেষ্টা
o IBM এর মাইক্রোকম্পিউটার প্রজেক্টে এ্যাটাক

এছাড়াও শত শত নেটওয়ার্ক হ্যাকিংয়ের চেষ্টা ,ফ্রী কল করার হ্যাকিং ,বিভিন্ন মেইল সিস্টেম হ্যাকিং চেষ্টার শত শত অভিযোগ ছিল তবে তা প্রমাণ করা যায় নি।
তাকে জেলে পাঠানো হয় ২০০০ সালে কেভিন মুক্তি পান, তবে শর্ত ২০০৩ সালের আগে তিনি কোনো কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবেন না ।

হ্যাকার কারা এবং কি করে তারা ?

হ্যাকিং এবং হ্যাকারদের সম্পর্কে হালকা ধারনা দেয়ার চেস্টা করব আজকে  ঃ-

হ্যাকাররা কেমন হয়ঃ



আমরা সাধারনত ভাবি সব হ্যাকারই এক ধরনের কাজ করে । অনলাইনে টাকা চুরি করা বা বিভিন্ন মানুষের আইডি চুরি করা বা ওয়েবসাইটের তথ্য চুরি করা ইত্যাদি ইত্যাদি ।কিন্ত ধারণাটা সর্ম্পূর্ন ভুল হ্যাকারদেরকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় হোয়াইট হ্যাট, ব্ল্যাক হ্যাট ও গ্রে হ্যাট।

হোয়াইট হ্যাট কারা : 
হোয়াইট হ্যাটওয়ালারা হল ভদ্র মানুষ এরা কারো কোন ক্ষতি করেনা । সাধারণত বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকুরীরত সিকিউরিটি প্রফেশনালরা এই দলভুক্ত। এদের হ্যাকিং ও হ্যাকারদের টুল সম্বন্ধে প্রচুর জ্ঞান এবং তা কাজে লাগিয়ে তারা সিস্টেমের দুর্বলতা বের করে প্রতিরোধ ব্যবস্হা গড়ে তোলে।

যেমনঃ মনে করুন মাইক্রোসফট,গুগল সহ বড় বড় প্রতিষ্টানে এরা চাকুরি করে এবং তাদের সিস্টেমের বিভিন্ন দুর্বলতা খুজে বের করে এবং তা বন্ধ করার ব্যবস্হা করে

ব্ল্যাক হ্যাট কারা :



ব্ল্যাক হ্যাটদের কথা সবদিকেই শুনা যায় । এদের প্রোগ্রামিং স্কিল খুব ভালো কিন্তু তারা সেটা ব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে। এরা সাধারণত ডেটাবেজ সিস্টেম, রিমোট মেশিনের নিরাপত্তা ভেঙে দেয়া, ক্রেডিট কার্ডের নম্বর চুরি করা,অবৈধ অনলাইন ট্রানজেকশান , আইডি চুরি করা, তথ্য চুরি করা ,বিভিন্ন ওয়েবসাইট হ্যাক করা ইত্যাদি অপকর্ম করে থাকে এবং মাঝে মাঝে এরাই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এবং এদের নাম ধামই আমরা বেশি শুনি ।তবে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের অনেকেই বলে ক্র্যাকার
হোয়াইট ও ব্ল্যাক এই দুই দলের মাঝখানে রয়েছে গ্রে হ্যাটরা। 



গ্রে হ্যাট কারা : এরা হচ্ছে সুবিধাবাদী হ্যাকার। অবস্হা বুঝে এরা ব্যবস্হা নেয় কথনো এরা হোয়াইটকখনো আবার ব্ল্যাক । অনেক সময় এরা বিভিন্ন প্রতিষ্টানের দুবলর্তা ধরিয়ে দেবার বিনিময়ে টাকা নেয় বা সুযোগমত এরা এর ব্যবহার করে।


হ্যাকিং কিভাবে হয়ঃ


অনেক সময় পেপার পত্তিকায় দেখা যায় হ্যাকাররা কম্পিউটারে বসে কোনো ব্যাংকের বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিজেদের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিয়ে নিয়েছে বা পাসওয়ার্ড চুরি করে সিস্টেমটি নিজেদের ইচ্ছামতো চালাচ্ছে বা ওয়েবসাইট হ্যাক করে নিজস্ব মেসেজ বসিয়ে দিচ্ছে এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন কৌশল ও টুল ব্যবহার করে তারা পাসওয়ার্ড চুরি করে। পাসওয়ার্ড ক্র্যাকিংয়ের দ্রুততম কৌশল হচ্ছে ডিকশনারি অ্যাটাক। এই কৌশলে ডিকশনারির সব শব্দ একটি টেক্সট ফাইলে লোড করা হয় । তারপর এই ফাইলটি পাসওয়ার্ড ক্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন যেমন L0phtCrack-এ লোড করে ইউজার অ্যাকাউন্টের বিপরীতে চালনা করা হয় ।
আরেক ধরনের কৌশল হচ্ছে হাইব্রিড অ্যাটাক। ডিকশনারি শব্দের সাথে নম্বর বা সিম্বল যোগ করে এ্যাটাক করে । এই দুই কৌশলে যখন কাজ হয় না, তখন হ্যাকাররা ব্যবহার করে ব্রুটফোর্স পদ্ধতি। পাসওয়ার্ড খুব বেশি জটিল হলে এই ধরনের পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় । আরো দুটি জনপ্রিয় কৌশল হল উইনগেট ও শেল অ্যাকাউন্টের ব্যবহার । উইনগেট একধরনের প্রক্সি যার মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। এই কৌশলে হ্যাকারের আইপি ঠিকানা চিহ্নিত করা যায় না। শেল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দূরবর্তী কম্পিউটার এক্সেস করা যায় এবং যেকোনো কমান্ড দেয়া যায়। এ ছাড়া ব্যাকডোর, ট্রোজান, রুটকিট, এক্সপ্লয়েন্ট, বাফার ওভারফ্লো,এসকিউএল ইনজেকশান ইত্যাদি কৌশলেও হ্যাকাররা হ্যাকিং করে।

ম্যাক এড্রেস কি ও এটা বের করার উপায়

ম্যাক এড্রেস :

ম্যাক এড্রেস এর সম্পূর্ণ ইংরেজী বিশদ রূপ হচ্ছে Media Access Control Address (MAC Address). কোন কম্পিউটারের ম্যাক এড্রেস হচ্ছে সেই কম্পিউটারটিতে ব্যবহায্য নেটওয়ার্ক ডিভাইসটির জন্য একটি অনন্য পরিচিতি যা কম্পিউটারটিকে তার শারীরীকভাবে পরিচিতি প্রদান করে। এ্টা নেটওয়ার্কের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে এবং কম্পিউটারটিকে সেই নেটওয়ার্কে পরিচিত করে দেয়। কোন ডিভাইসের ম্যাক এড্রেস তার তৈরীকারী প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করে থাকে। একেকটি নেটওয়ার্ক ডিভাইসের জন্য একেকটি ম্যাক এড্রেস থাকে।
ম্যাক এড্রেস এবং আইপি এড্রেস এর মধ্যে পার্থক্য :
আইপি এড্রেস হচ্ছে কোন কম্পিউটারের এড্রেস। অন্যান্য যেকোন কম্পিউটার বা কোন নেটওয়ার্ক আপনার কম্পিউটারকে চিনবে এই আইপি এড্রেসের মাধ্যমে। এটাকে আপনি ফোন নাম্বারের সাথে তুলনা করতে পারেন।
ম্যাক এড্রেস হচ্ছে কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইসের জন্য একটি অনন্য শনাক্তকারী নাম্বার। এটা হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে থাকে। যেমন : 05:9b:bd:89:e4:4q
ম্যাক এড্রেসের প্রথম অর্ধেক বুঝায় ডিভাইসটি কোন মডেল বা ব্রান্ডের আর বাকী অর্ধেকটি হচ্ছে ঐ ডিভাইসটি অনন্য বা unique নাম্বার। এটাকে মোবাইলের IMIE বা গাড়ির VIN নাম্বারের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। আশা করি বুঝেছেন আইপি এবং ম্যাকের মাঝে কি পার্থক্য।
কেন আমরা ম্যাক এড্রেস সম্পর্কে জানলাম?
হ্যাকিং বা অনলাইনে কোন অনৈতিক কাজ করতে গেলে ম্যাক এড্রেস পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে। কেন প্রয়োজন তা আমি আগের এক টিউনে একটি গল্পের মাধ্যমে বুঝিয়েছিলাম। তাই আমাদের ম্যাক এড্রেস সম্পর্কে জানতে হবে এবং এটি পরিবর্তন বা লুকানো শিখতে হবে।
কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইসের ম্যাক এড্রেস বের করার নিয়ম:
সাধারনত কোন ডিভাইসের ম্যানুয়েলে ম্যাক এড্রেস দেয়া থাকে। অনেক ডিভাইসের পিছন দিকে সিরিয়ালের সাথে ম্যাক এড্রেস দেয়া থাকে। তবে আমরা কম্পিউটারে সংযোগকৃত ডিভাইসটির ম্যাক এড্রেস অন্য আরেক উপায়ে জানতে পারি। এটা এক এক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য এক এক রকম।
উইন্ডোজ এক্সপি :



Start->Contron Panel->Classic View->Network Connections
এখন আপনি যে কানেকশানটির ম্যাক এড্রেস বের করতে চান সেটিতে মাউসের ডান বোতাম চাপুন এবং Properties এ যান। সেখানে Connect Using এর নিচে টেক্স বক্সে মাউস রাখলেই আপনাকে ঐ ডিভাইসটির ম্যাক এড্রেস দেখাবে।


এ্যাপল ম্যাক ওএস ১০ (লেপার্ড) :



ম্যাকিন্টোশে সাধারনত এ ধরনের তথ্য প্রদান করে না। তবে নিচের পদ্ধতিতে চেষ্ঠা করলে সফল হবেন বলে আমি ধারনা করছি।
Apple->System Preferences->Network
Wired এর জন্য Ethernet বা Wireless এর জন্য Airport সিলেক্ট করুন।
Advance বাটনে ক্লিক করুন। Ethernet ট্যাব সিলেক্ট করুন।
একেবারে উপরে আপনি আপনার ম্যাক এড্রেস খুজে পাবেন।


লিনাক্স :



privileged terminal session এ লিখুন ifconfig
এই কমান্ডটির মাধ্যমে আপনি দেখতে পাবেন আপনার কম্পিউটারে কি কি নেটওয়ার্ক ডিভাইস ইন্সটল অবস্থায় আছে। সাধারনত HWaddr নামে ম্যাক এড্রেসটি রেফার করা থাকে। আপনি আপনার Wireless card এর ম্যাক এড্রেস পাওয়ার জন্য লিখুন iwconfig


ভিসতা :



Start এর Search Programs & Files এর সার্চ বক্সে লিখুন Network and Sharing Center উপরে কাঙ্খিত রেজাল্টে ক্লিক করুন। এবার বাম দিক থেকে Manage Network Connections সিলেক্ট করুন। এখন আপনি যে কানেকশানটির ম্যাক এড্রেস বের করতে চান সেটিতে মাউসের ডান বোতাম চাপুন এবং Properties এ যান। সেখানে Connect Using এর নিচে টেক্স বক্সে মাউস রাখলেই আপনাকে ঐ ডিভাইসটির ম্যাক এড্রেস দেখাবে।


উইন্ডোজ ৭ :



Start এর Search Programs & Files এর সার্চ বক্সে লিখুন Network and Sharing Center উপরে কাঙ্খিত রেজাল্টে ক্লিক করুন। এবার বাম দিক থেকে Change Adapter Settings সিলেক্ট করুন। এখন আপনি যে কানেকশানটির ম্যাক এড্রেস বের করতে চান সেটিতে মাউসের ডান বোতাম চাপুন এবং Properties এ যান। সেখানে Connect Using এর নিচে টেক্স বক্সে মাউস রাখলেই আপনাকে ঐ ডিভাইসটির ম্যাক এড্রেস দেখাবে।
এখন আপনি যদি গ্রামীন/বাংলালিংক/সিটিসেল মডেম ব্যবহার করেন তাহলে উপরোক্ত পদ্ধতি কাজ নাও করতে পারে। তাহলে উপায়? বাংলাদেশের প্রায় ইউজারইতো মডেম ব্যবহার করে!
প্রথমে আপনি আপনার মডেমটিতে নেট কানেকশন দিন। এবার Start->Run
Run এর বক্সে লিখুন cmd এন্টার দিন।
কমান্ড উইন্ডো খুলবে। এবার লিখুন ipconfig /all
অনেক ধরনের তথ্য আপনার সামনে আসবে।
সেখানে Ethernet Adapter Local Area Connection লেখাটি খুজে বের করুন।
এবার এখানে Physical Address এর সামনে ১২ ডিজিটের সংখ্যা ও অক্ষরের সমন্বয়ে যে সিরিয়ারটি দেখতে পাচ্ছেন সেটিই আপনার ম্যাক এড্রেস।

ফেসবুক হ্যাকিং কি সফটওয়্যার দিয়ে সম্ভব !

আপনি কি ফেসবুক হ্যাকিং এর জন্য সফটওয়্যর খুঁজছেন? আপনার উত্তর যদি হ্যাঁ হয় তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য।আপনি হয়তোবা ইন্টারনেটে বা কোন হ্যাকিং বিষয়ক ব্লগে “ফেসবুক হ্যাকিং সফটওয়্যার” বা এরকম কোন সফটওয়্যার দেখেছেন ।
যেটা ব্যবহারের জন্য এরকম কিছু নির্দেষনা দেওয়া রয়েছে—
১.সফটয়্যারটি ডাউনলোড করে আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করুন।
২.আপনার ই-মেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড প্রবেশ করান ।
৩.আপনার শিকর এর ই-মেইল আইডি প্রবেশ করান।
তাহলেই কাজ শেষ ।আপনার কাংখিত পাসওয়ার্ড পেয়ে যাবেন ।
এখন আমি আপনাদের একটা প্রশ্ন করতে চাই ।
“আপনার কি মনে হয় যে ফেসবুক এতটাই বোকাচো***?”
“আপনার কি মনে হয় এরকম সফটওয়্যার ব্যবহার করে এক মিনিটের মধ্যে কোন আইডি হ্যাক করা সম্ভব?”




হা হা হা…………………। এতটা সহজে যদি ফেসবুক হ্যাক করা যেত , তবে কি আর কেউ বসেথাকে।
সত্যিটা কি জানেন?? আপনি যে নিজে হ্যাক হয়ে গেছেন সেটা কি টের পেয়েছেন?একজন বাচ্চা মানুষের মত চিন্তা না করে একজন “হ্যাকার” এর মত চিন্তা-ভাবনা করুন ,তাহলেই ব্যাপারটা বুজতে পরবেন ।
এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে ,তাহলে এই
“ফেসবুক হ্যাকিং সফটওয়্যার” গুলো আসলে কি?
—>সত্যটা হল পৃথিবীতে এমন কোন সফটওয়্যার নেই যে আপনি শুধু মেইল আইডি দিয়ে চেয়ে থাকবেন আর পাসওয়ার্ড হ্যাক হয়ে যাবে। যে গুলো আপনি আজ পর্যন্ত দেখছেন তার সবগুলোই হল ফেইক বা ভুয়া ।
আপনি এখন আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন,
“আমার এক বন্ধু আমাকে একটা সাইটের লিংক দিয়েছে ,সেখানে হাজার হাজার মানুষ ফেসবুক হ্যাকিং এর সফটওয়্যার ডাউনলোড করছে।অই মিয়া, আপনি কি তাদের থেকে বেশী জানেন?”
—>আমি আপনাকে বলতে চাই. “না, অবশ্যই আমি তাদের থেকে বেশী জানি না।আমি শুধু কিভাবে আপনাকে বোকা বানানো হয়, এবং ফেসবুক হ্যাকিং সফটওয়্যারগুলো আসলে কি সেটা বোঝাতে চাচ্ছি ।”


এবার আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে ,
“তাহলে এই ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাকিং সফটওয়্যার গুলোর কাজ কি এবং কেনই বা বানানো হয়েছে?”
—>এই সফটওয়্যার গুলো বানানো হয়েছে নতুন হ্যাকারদের জন্য (যারা মাত্র হ্যাকিং শিখছে তাদেরকে নুব বলা হয়) ।মূলত হ্যাকাররাই এই সফটওয়্যারগুলো বিভিন্ন সাইটে আপলোড দিয়ে রাখে যাতে নুবরা তাদের ফাঁদে পা দেয় ।আপনি যখন সফটওয়্যারটি আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করবেন, আপনার কম্পিউটারে অটোমেটিক্যালি ট্রোজেন হর্স ,স্পাইওয়্যার বা কি লগার ইন্সটল হয়ে যাবে যা আপনার কম্পিউটারের সব তথ্য হ্যাকারকে পাচার করে দেবে বা আপনার কম্পিউটার পুরোপুরি ধ্বংস করে দেবে ।
এখন আপনার প্রশ্ন হতে পারে,
“তাহলে ফেসবুক হ্যাকিং এর কি কোন উপায় নেই? থাকলে সেটা কি?”
—>ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাকিং এর উপায় আছে। মূলত নিম্নোক্ত উপায়ে ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক করা সম্ভব:
১.ফিশিং মেথড ।
২.সফটওয়্যার কি লগার ।
৩.হার্ডওয়্যার কি লগার ।
৪.ফায়ারশিপ ব্যবহার করে।
৫.কুকি চুরি করে।
৬.সোসিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে ।
৭.ই-মেইল অ্যাকউন্ট হ্যাক করে। (ডিকশনারি বা ব্রুটফোর্স অ্যাটাক করে )
এখনও কি আপনি ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাকিং এর সফটওয়্যার খুঁজবেন বা পেলে সেটা ব্যবহার করবেন???
দুনিয়াটা এত সহজনারে  ভাই……………।।

রেজিঃ ছাড়া ওয়েব-সাইটএ লগইন করুন

এখন আপনি রেজিঃ  ছাড়া কোন সাইট ভিসিট ও এমনকি লগইন করতে পারবেন ।
এরকম ইন্টারনেট এ অনেক সাইট আছে । তবে আমার জানা মতে এই সাইট টা  ভাল ।
শুধু সাইটের নাম এবং টাইপ করে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড প্রচুর পাবেন.।

কিভাবে করবেন >

ধাপ ১:  এই লিঙ্ক এ যান >  http://bugmenot.com

ধাপ ২: যে ওয়েবসাইট এর PassworD পেতে চান তার ঠিকানা লিখুন >
উদাহরণস্বরূপ: http://www.youtube.com

ধাপ ৩: “Get Logins” বোতামটি টিপুন।

৪ ধাপ:এখন কয়েকটি ব্যবহারকারী নাম এবং পাসওয়ার্ড প্রদর্শিত হবে.

ধাপ ৫:এবার নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়া লগইন করতে চেষ্টা করেন ।

সব ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড হয়তোবা কাজ করবে না । তবে কয়েক বার ট্রাই করলে একটি ঠিকই হয়ে যাবে ।

ভাল লাগলে জানাবেন ………………

ব্লগে কিভাবে একটি এনিমেটেড লেখা যুক্ত করুন

আজ আমি আপনাদের শিখাবো কিভাবে আপনার ব্লগে একটি চলন্ত লেখা যোগ করতে হয়। এটা খুব সহজ একটা কোড যেটি দিয়ে আপনি আপনার ব্লগে HTML উইজেট এ যোগ করে যেকোন লেখা বিগ্গাপন এবং নোটিস হিসেবে ইউজ করতে পারবেন। আপনার ব্লগে একটি এনিমেটেড লেখা যুক্ত করতে আপনাকে নিচের কোড গুলি ইউজ করতে হবে: 
লেখা গুলি বাম থেকে ডানে দেখাতে নিচের কোড টি ইউজ করুন      
 <marquee direction=”left”>আপনি যে লেখা গুলি এনিমেটেড করতে চান সেগুলি এই লেখার বদলে লিখুন….</marquee>  
লেখা গুলি ডান থেকে বামে দেখাতে নিচের কোড টি ইউজ করুন  

     <marquee direction=”right”>আপনি যে লেখা গুলি এনিমেটেড করতে চান সেগুলি এই লেখার বদলে লিখুন….</marquee> লেখা গুলি নিচ থেকে উপরে দেখাতে নিচের কোড টি ইউজ করুন        <marquee direction=”up”>আপনি যে লেখা গুলি এনিমেটেড করতে চান সেগুলি এই লেখার বদলে লিখুন….</marquee>  

লেখা গুলি উপর থেকে নিচে দেখাতে নিচের কোড টি ইউজ করুন  

 <marquee direction=”down”>আপনি যে লেখা গুলি এনিমেটেড করতে চান সেগুলি এই লেখার বদলে লিখুন….</marquee>

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

%d bloggers like this: